বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের বাঙ্গালহালিয়ায়‘প্রতিভা ফার্মেসী’তে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার উদ্যোগ: পরামর্শ দেবেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ঈশ্বরীপুরে কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত রাজস্থলীতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন। আওয়ামী লীগ-অন্তর্বর্তীসহ সব সরকারের দুর্নীতির হিসাব খতিয়ে দেখবে সরকারি হিসাব কমিটি: ডা. তাহের জরুরি বিলে নগদ টাকার টানাটানি? ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা আনল বাংলাদেশ ব্যাংক শাকিব খানের প্যান-ইন্ডিয়া সিনেমায় এবার বলিউডের শ্রদ্ধা কাপুর! সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ঝড় শতভাগ ই-পাসপোর্টের পথে বাংলাদেশ, এমআরপি বন্ধ করে রাজস্থলীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস  উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সিগারেটের দাম বেড়ে ৬৫ টাকা, বাকিগুলোর দাম কত বাড়ল

জরুরি বিলে নগদ টাকার টানাটানি? ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা আনল বাংলাদেশ ব্যাংক

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

সময়ের কথা অর্থ ও বাণিজ্য ডেস্ক:

হাতে হুট করে ক্যাশ টাকা নেই, কিন্তু দিতে হবে বিদ্যুৎ বিল কিংবা বাচ্চার স্কুলের ফি? এমন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গ্রাহকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর নিয়ে এলো বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রচলিত সুদভিত্তিক ছোট ঋণের বিকল্প হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত তাৎক্ষণিক ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

​বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে সম্পূর্ণ ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় গ্রাহকেরা এই সেবা নিতে পারবেন।

কোন কোন সেবায় খরচ করা যাবে এই ক্রেডিট?

​এই ই-পেমেন্ট ক্রেডিটের টাকা সরাসরি নগদ ক্যাশ করা যাবে না কিংবা নিজের ব্যক্তিগত ডিজিটাল ওয়ালেটেও নেওয়া যাবে না। ঋণের টাকা সরাসরি ডিজিটাল মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারীর কাছে পৌঁছে যাবে। যেসব ক্ষেত্রে এই সুবিধা মিলবে:

​ইউটিলিটি বিল (বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি) ও মোবাইল রিচার্জ।

​শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ফি।

​জাতীয় টোল, বিভিন্ন যানবাহনের টিকিট এবং সরকারি কর/ফি।

​আমানতের কিস্তি ও বীমার প্রিমিয়াম পরিশোধ।

ফি ও মেয়াদ: এক নজরে খরচ

​ঋণের পরিমাণ ও মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দিষ্ট ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে:

৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণ: ৭ দিনের জন্য ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি।

৭,০০১ টাকা থেকে ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ: ৭ দিনের জন্য ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা ফি দিতে হবে।

​ঋণের মেয়াদ অনুযায়ী মূল অর্থ ও ফি যথাক্রমে ৮ম, ১৬তম অথবা ৩১তম দিনে পরিশোধ করতে হবে। গ্রাহক চাইলে নির্ধারিত সময়ের আগেই টাকা পরিশোধ করতে পারবেন, যার জন্য কোনো বাড়তি আর্লি সেটেলমেন্ট চার্জ বা অতিরিক্ত ফি কাটা হবে না। তবে মেয়াদ পার হয়ে গেলে প্রতিদিনের হিসেবে জরিমানা বা ফি যুক্ত হবে।

সুরক্ষা ও চালুর প্রক্রিয়া

​গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ওটিপি (OTP), টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন (2FA) বা মাল্টিফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন ব্যবহার করা হবে। ব্যাংকগুলো এই সেবা প্রদান করতে এমএফএস (MFS), পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (PSP) ও অন্যান্য ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের চ্যানেল ব্যবহার করতে পারবে।

​বাণিজ্যিকভাবে বাজারে ছাড়ার আগে ব্যাংকগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে কমপক্ষে ৬ মাসের পাইলট প্রজেক্ট পরিচালনা করতে হবে। পাইলট প্রজেক্টের সফল মূল্যায়ন ও পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন সাপেক্ষেই কেবল সেবাটি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews