সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল: অর্থনীতির নতুন যুগের সূচনা! বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক চট্টগ্রাম যন্ত্রশিল্পী সংস্থার ‘ভয়েস হান্ট সিজন-৩’ এ বাঙ্গালহালিয়ার ২ জন শিল্পীর ইয়েস কার্ড অর্জন সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, মেজর হাফিজ আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আনোয়ারা সদর ইউনিয়ন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের আগাম প্রস্তুতি ২৪ গনঅভ্যুত্থান ও আবেগ : মিশু শ্যামনগরে মাদার নদীতে অবস্থিত বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে মানববন্ধন বিশ্বকাপ ফাইনাল আবার আয়োজন এর দাবি আর্জেন্টাইনদের বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান হলেন দৈনিক দেশ বার্তা’র ব্যুরো চীফ সাত মাসের শিশু বুকে নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন ২১ বছরের টুম্পা দাশ।

ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: কারা খাবে না ক্যাপসুল, কারা খেতে পারবে? 

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

প্রায় ১৪ মাস পর দেশব্যাপী ভিটামিন এ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে। অন্ধত্ব প্রতিরোধসহ শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত এই বিশেষ ক্যাম্পেইন রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলবে। দেশজুড়ে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন চলাকালে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। তবে সব শিশুই এই ক্যাপসুল খেতে পারবে না। নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে শিশুকে সেদিন ক্যাপসুল না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতীয় কর্মসূচির নির্দেশনা অনুযায়ী, ৬ মাসের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় না। এছাড়া গত এক মাসের (২৮–৩০ দিনের) মধ্যে উচ্চমাত্রার ভিটামিন এ ক্যাপসুল খেয়ে থাকলে একই শিশুকে আবার ক্যাপসুল দেওয়া হয় না।

 

তবে অনেক অভিভাবকের মধ্যে জ্বর, সর্দি-কাশি বা ডায়রিয়া থাকলে ক্যাপসুল খাওয়ানো নিয়ে দ্বিধা থাকে। এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, হালকা জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া বা অপুষ্টি থাকলেও সাধারণত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো যায়। অর্থাৎ এসব সমস্যা ক্যাপসুল দেওয়ার ক্ষেত্রে বাধা নয়। তবে কোনও শিশু যদি গুরুতর অসুস্থ থাকে বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার মতো অবস্থায় থাকে, তাহলে আগে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করার পর স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া হয়। ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনে বয়সভেদে দুটি ধরনের ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হয় নীল রংয়ের ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হয় লাল রংয়ের ক্যাপসুল। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন এ শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, দৃষ্টিশক্তি সুরক্ষায় এবং ভিটামিন এ–এর ঘাটতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই নির্ধারিত বয়সের শিশুদের জাতীয় কর্মসূচির আওতায় এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews