শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুটপাতে পিঠা-পেঁয়াজু বিক্রি করলেও লাগবে লাইসেন্স, নতুন নিয়মে কড়াকড়ি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দলের বাঁচা-মরার লড়াই: সেমিফাইনালের সমীকরণে চোখ টাইগারদের রংপুর ও রাজশাহী সফর শেষে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জামায়াত মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখায়: জামায়াত আমীর আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল: স্পিকার সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর ​৩ বছর পর পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সমন্বয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু সাবেক এমপি ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই সাতক্ষীরার শ্যামনগর পদ্মপুকুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৬ উদযাপন
🔥 বিজ্ঞাপন ও কাজের সুযোগ

ব্যবসার সেরা প্রচার চান? মাত্র ১৫০ টাকায়!

আপনার ব্যবসার প্রচারণা কিংবা কাজের অর্ডার দিতে Somoyerkatha.com-এ প্রচার করুন!

✔️ ব্র্যান্ড পরিচিতি ✔️ বিক্রি বৃদ্ধি ✔️ বিস্তৃত প্রচার

যেখানে প্রতিদিন ইবাদত করেন ৭০ হাজার ফেরেশতা: মহিমান্বিত ‘বাইতুল মামুর’-এর ইতিহাস ও রহস্য

  • প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

ইসলাম ডেস্ক, সময়ের কথাঃ সৃষ্টিজগতের মালিক মহান আল্লাহ তাআলার অগণিত সৃষ্টির মধ্যে ফেরেশতারা অন্যতম। তাদের প্রধান কাজই হলো সর্বদা আল্লাহর তাসবিহ পাঠ ও ইবাদতে লিপ্ত থাকা। ইসলামিক রেওয়ায়েত ও বিভিন্ন হাদিসের বিবরণ অনুযায়ী, মহাবিশ্বে এমন একটি পবিত্র স্থান রয়েছে যেখানে প্রতিদিন ৭০ হাজার ফেরেশতা উপস্থিত হয়ে ইবাদত-বন্দেগি ও তাওয়াফ করেন। পবিত্র ও মহিমান্বিত এই স্থানটির নাম ‘বাইতুল মামুর’ (Baitul Ma’mur)।

​মিরাজের রাতে বাইতুল মামুরের দর্শন

পবিত্র হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) অলৌকিক মিরাজ গমনের রাতে সপ্তম আসমানে এই পবিত্র ‘বাইতুল মামুর’ প্রত্যক্ষ করেন। তিনি দেখেন, জাতির পিতা হযরত ইব্রাহিম (আ.) এই ঘরের দেওয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে হেলান দিয়ে বসে আছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন জিবরাইল (আ.)-এর কাছে এই ঘরের পরিচয় জানতে চান, তখন জিবরাইল (আ.) জানান- এটিই আসমানের ‘বাইতুল মামুর’।

​একবার সুযোগ পাওয়া ফেরেশতা আর কখনো ফেরেন না

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রতিদিন এই পবিত্র ঘরে ৭০ হাজার ফেরেশতা ইবাদতের উদ্দেশ্যে প্রবেশ করেন। কিন্তু সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো-যেসব ফেরেশতা একদিন এই ঘরে ইবাদত করার সুযোগ পান, তারা কিয়ামত পর্যন্ত আর দ্বিতীয়বার এখানে আসার সুযোগ পান না। কারণ আল্লাহর সৃষ্টি ফেরেশতার সংখ্যা এতই অগণিত যে, প্রতিদিন নতুন ৭০ হাজার ফেরেশতা এসে এতে ইবাদত সম্পন্ন করেন।

​পৃথিবীর কাবাঘরের সাথে অলৌকিক সংযোগ

মুফাসসিরিন ও তাফসিরবিদদের মতে, সপ্তম আসমানে অবস্থিত এই ‘বাইতুল মামুর’ হলো আসমানবাসীদের কাবাঘর। পৃথিবীর বুকে আমাদের পবিত্র ‘কাবা শরীফ’ ঠিক যে অবস্থানে অবস্থিত, বাইতুল মামুরও সপ্তম আসমানে ঠিক তার সোজাসুজি ওপরের অংশে অবস্থিত। বলা হয়ে থাকে, এটি যদি আসমান থেকে নিচে নেমে আসত, তবে তা সরাসরি পৃথিবীর কাবাঘরের ওপরই এসে পড়ত। যেভাবে পৃথিবীর মুসলিমরা কাবাঘর তাওয়াফ করেন, ঠিক তেমনিভাবে ফেরেশতারাও বাইতুল মামুর তাওয়াফ করেন।

​কোরআন ও হাদিসে বাইতুল মামুর

পবিত্র কোরআনের সূরা আত-তূরের ৪ নম্বর আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা ‘বাইতুল মামুর’-এর কসম খেয়েছেন। যেকোনো বিষয়ের গুরুত্ব ও মর্যাদা প্রকাশ করতেই আল্লাহ পবিত্র কোরআনে তার কসম উল্লেখ করেন। এর মাধ্যমে স্থানটির অতিউচ্চ মর্যাদা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমসহ হাদিসের প্রধান প্রধান গ্রন্থে বাইতুল মামুরের এই বিবরণ বিস্তারিতভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

​ইসলামি চিন্তাবিদরা মনে করেন, বাইতুল মামুরের এই ইতিহাস মহান আল্লাহর অসীম ক্ষমতা, সৃষ্টির বিশালতা এবং ফেরেশতাদের নিরবচ্ছিন্ন ইবাদতের এক অনন্য নিদর্শন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন Dream Shoot Media Center