শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগ্রাবাদে ‘দাওয়াতুল খাইর মজলিশ’: নামাজের মাসলা-মাসায়েল নিয়ে বিশেষ আলোচনা সভা ফুটপাতে পিঠা-পেঁয়াজু বিক্রি করলেও লাগবে লাইসেন্স, নতুন নিয়মে কড়াকড়ি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দলের বাঁচা-মরার লড়াই: সেমিফাইনালের সমীকরণে চোখ টাইগারদের রংপুর ও রাজশাহী সফর শেষে চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জামায়াত মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখায়: জামায়াত আমীর আওয়ামী লীগ পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চোরের দল: স্পিকার সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর ​৩ বছর পর পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সমন্বয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ১৭ বাংলাদেশির মৃত্যু সাবেক এমপি ও বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ আর নেই
🔥 বিজ্ঞাপন ও কাজের সুযোগ

ব্যবসার সেরা প্রচার চান? মাত্র ১৫০ টাকায়!

আপনার ব্যবসার প্রচারণা কিংবা কাজের অর্ডার দিতে Somoyerkatha.com-এ প্রচার করুন!

✔️ ব্র্যান্ড পরিচিতি ✔️ বিক্রি বৃদ্ধি ✔️ বিস্তৃত প্রচার

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা জোরদারে নিকটে ২ সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ দমন ও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে ক্যাম্পের নিকটবর্তী সুবিধাজনক স্থানে দুটি নতুন সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্যাম্প কেন্দ্রিক সশস্ত্র দলগুলোর নৈরাজ্য, মাদক পাচার, অপহরণ ও সহিংসতা বন্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

​আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সরকারের উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠক ও সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরে একের পর এক গোলাগুলি, হত্যা এবং আরসা ও আরএসও-র মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর আধিপত্য বিস্তারের প্রেক্ষাপটে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পুনর্দখলে আনতেই এই যৌথ কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

​নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও যৌথ অভিযান

বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষায় এপিবিএন (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) এবং সাধারণ পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। তবে ক্যাম্পের সীমানা সংলগ্ন দুর্গম পাহাড় ও বনাঞ্চল ব্যবহার করে অপরাধীরা সহজেই আত্মগোপন করে। নতুন করে স্থাপিত হতে যাওয়া দুটি সেনা ক্যাম্পের মাধ্যমে ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দল (Rapid Response Unit) হিসেবে কাজ করা এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো অনেক সহজ হবে।

​স্থানীয়দের স্বস্তি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য

কক্সবাজারের স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের কারণে সৃষ্ট নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছিলেন। নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও সচেতন প্রতিনিধিরা।

​আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্র মতে, এই দুটি সেনা ক্যাম্প চালু হলে ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ (আইস) চোরাচালান রোধ করার পাশাপাশি ক্যাম্পসংলগ্ন সীমান্ত পাহারা ও ক্যাম্পের মূল প্রবেশপথগুলোতে কড়া তল্লাশি চালানো সম্ভব হবে। একই সাথে স্থানীয় জনগণ এবং আশ্রয়শিবিরে থাকা সাধারণ রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন Dream Shoot Media Center