শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্যামনগরে মাদার নদীতে অবস্থিত বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে মানববন্ধন বিশ্বকাপ ফাইনাল আবার আয়োজন এর দাবি আর্জেন্টাইনদের বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান হলেন দৈনিক দেশ বার্তা’র ব্যুরো চীফ সাত মাসের শিশু বুকে নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন ২১ বছরের টুম্পা দাশ। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন: সহকারী সম্পাদক হলেন তৌকির উদ্দীন আনিছ বাঙ্গালহালিয়াতে বন্যা প্লাবিত এলাকার পানি নিস্কাশনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন। সরকার আসে এবং যায় কিন্তু? বাঙ্গালহালিয়া ডাকবাংলা মধ্যম পড়া বাসির জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ যেন শেষ নেই, একটু বৃষ্টি হলেই বসতঘরে হাঁটু সমান পানি। আনোয়ারার বৈরাগে পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন অবহেলা! ফিউজ বাদ দিয়ে তার পেঁচিয়ে জুয়াখেলা, একদিন ধরে তীব্র পানি সংকটে হাজারো মানুষ মোবাইল-ল্যাপটপ থেকে খাবারে বিষ? টিআইবি-এর শিউরে ওঠার মতো রিপোর্ট বিশ্বকাপে রাতজাগা দর্শকদের জন্য ব্রিটিশ সরকারের বিশেষ সুবিধা: কী থাকছে এই ঘোষণায়?

পাঁচ বছরের শিশুকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডবিখণ্ডের ঘটনায় আদালতের রায়

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত পাঁচ বছরের শিশু আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে। আলোচিত এই মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আয়াতের পরিবার এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
বুধবার চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, শিশু আয়াতকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা এবং পরবর্তীতে মরদেহ খণ্ডবিখণ্ড করার ঘটনা অত্যন্ত নৃশংস ও মানবতাবিরোধী। মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য পর্যালোচনা করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরীতে পাঁচ বছরের শিশু আয়াত নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। তদন্তে জানা যায়, অপহরণের পর শিশুটিকে হত্যা করা হয় এবং পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহ কয়েক টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটির পরিবারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠন দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। অন্যদিকে, আয়াতের পরিবারের সদস্যরা আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তাদের প্রিয় সন্তানকে আর ফিরে পাবেন না বলে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান।
উল্লেখ্য, শিশু আয়াত হত্যা ও মরদেহ খণ্ডবিখণ্ডের ঘটনা দেশের অন্যতম আলোচিত অপরাধ হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। মামলার রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews