
চট্টগ্রাম ডেস্ক:
আইন পেশায় সফলতার সাথে ৪৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে চট্টগ্রামের বিশিষ্ট মানবাধিকার আইনবিদ, সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী এডভোকেট পরেশ চন্দ্র দাশকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে মানবাধিকার সংগঠন ‘বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন (বিএইচআরএফ)’।
বুধবার সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ৮০ নম্বর কক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁকে এ সম্মাননা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ আইনবিদরা পরেশ চন্দ্র দাশকে ফুলেল তোড়া ও উপহার প্রদান করেন। এ সময় নেতৃবৃন্দ মানবাধিকার সুরক্ষা ও আইনাঙ্গনে তাঁর অসামান্য অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএইচআরএফ-এর মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিশেষ পিপি এডভোকেট আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুস, মানবাধিকার আইনবিদ এডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ, এডভোকেট হাসান আলী, এডভোকেট বদরুল হাসান, এডভোকেট শাহানা জাহান আফরোজা, এডভোকেট জিয়াউদ্দীন আরমান, এডভোকেট হাসান আল বান্না, এডভোকেট খুশনুদ ঊশিকা রাইসা ও এডভোকেট কে এম শান্তনু চৌধুরী। এছাড়া মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ নজরুল হোসেন, রিদওয়ানুল করিম নাবিল, প্রভাত কুমার দে, এমরান হোসেন প্রমুখ।
বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম:
১৯৫৬ সালের ৬ই মে চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন পরেশ চন্দ্র দাশ। তিনি ১৯৮২ সালের ৩রা এপ্রিল চট্টগ্রাম জেলা বার এসোসিয়েশনে আইনজীবী হিসেবে যোগ দেন এবং ২০২৬ সালে তাঁর বর্ণাঢ্য আইন পেশার ৪৪ বছর পূর্ণ হয়।
তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সাবেক অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) এবং ঐতিহ্যবাহী বঙ্গবন্ধু ল’ টেম্পলের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়া তিনি বিএইচআরএফ চট্টগ্রাম জেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সন্দ্বীপ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
আইন সেবার পাশাপাশি মানবিক এই আইনবিদ একজন রেজিস্টার্ড হোমিও চিকিৎসক হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে দুস্থ ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছেন। সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৫ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজ কল্যাণ ফেডারেশন থেকে স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।
সংবর্ধনার জবাবে বিনয়ী এই প্রবীণ আইনবিদ বলেন, “এ ধরনের সম্মাননা আমাকে আরো বেশি দায়িত্বসচেতন করবে এবং আমৃত্যু মানবিক চেতনার কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।