মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারা আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে আমি এখন পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি’: মেঘনা আলমের সাহসী স্বীকারোক্তি নিয়ে তোলপাড় সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার বহাল, ভাঙলে বাতিল হবে হেবা: নতুন আইনের কঠোর বার্তা মেটায় বিনামূল্যে আইডি ভেরিফাই করার সুবর্ণ সুযোগ! জেনে নিন আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন:সভাপতি মনির,সম্পাদক লিটন সাফল্যের স্বীকৃতি পেল শ্যামনগরের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা রাজস্থলীতে বনবিভাগের উদ্যোগে নানা প্রজাতির ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ সাতক্ষীরায় হাঁস-মুরগির খোপে বিরাট অজগর, ভয়ে জ্ঞান হারালেন গৃহিণী রাজস্থলীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।

আনোয়ারায় ১৮শ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ: জাতীয় মাছ এখন মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে
0-0x0-0-0#

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র চাতুরী চৌমুহনী বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে রুপালী ইলিশ। বর্তমানে বাজারে ভালো মানের এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায়। ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ হলেও চড়া দামের কারণে তা সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে এখন অনেকটাই সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।

চাতুরী চৌমুহনী বাজারের মাছের দোকানগুলোতে বরফ দেওয়া তাজা ইলিশ সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। দূর থেকে ঝকঝকে রুপালী ইলিশের ওপর নজর পড়লেও কাছে গিয়ে দাম শুনে চোখ কপালে উঠছে ক্রেতাদের। বাজার ঘুরে দেখা যায়:

  • ১ কেজি ওজনের ইলিশ: প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১,৮০০ টাকা।
  • মাঝারি মানের ইলিশ (৭০০–৮০০ গ্রাম): কেজিপ্রতি ১,৩০০ থেকে ১,৫০০ টাকা।
  • ছোট ইলিশ (জাটকা সাইজ): কেজিপ্রতি ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা।

​ক্ষোভ ও হতাশায় মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্ত ক্রেতারা

​বাজারে আসা ক্রেতারা জানান, জাতীয় মাছ হওয়া সত্ত্বেও ইলিশ আজ সাধারণ মানুষের খাবার টেবিল থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। দিন দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ার পাশাপাশি মাছের বাজারে এমন চড়া দামের কারণে বিপাকে পড়েছেন তারা।

​বাজারে আসা এক মধ্যবিত্ত ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, “পছন্দের মাছ হলেও ১,৮০০ টাকা কেজি দিয়ে ইলিশ কেনা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। জাতীয় মাছের এই দাম হলে নিম্নবিত্ত ও দিনমজুরদের তো ইলিশের স্বপ্ন দেখাই বন্ধ করে দিতে হবে।”

​অনেক ক্রেতা দাম শুনে অন্য সাধারণ মাছ কিনে বাড়ি ফিরছেন, আবার অনেকে বাধ্য হয়ে অনেক কম পরিমাণে কিনছেন।

​কেন এতো দাম? যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

​মাছ ব্যবসায়ীদের দাবি, আড়তেই অতিরিক্ত দামে ইলিশ কিনতে হচ্ছে তাদের। সাগরে ও নদীতে ইলিশের সরবরাহ তুলনামূলক কম থাকায় পাইকারি বাজারে দাম চড়া।

​চাতুরী চৌমুহনী বাজারের এক খুচরা মাছ ব্যবসায়ী জানান, “আমরা চট্টগ্রাম শহরের আড়ত ও উপকূলীয় ঘাট থেকে যে দামে ইলিশ কিনে আনি, তাতে সামান্য লাভ রেখে বিক্রি করতে হয়। পরিবহন খরচ ও ঘাটের দাম বেশি থাকায় বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই। পাইকারি বাজারে দাম কমলে খুচরা বাজারেও দাম কমে আসবে।”

​বাজার মনিটরিংয়ের দাবি

​স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট বা অজুহাত দেখিয়ে চড়া দাম আদায় করছে। জাতীয় মাছ ইলিশ যেন সমাজের সব শ্রেণির মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে, সে জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিয়মিত বাজার তদারকির জোরালো দাবি জানিয়েছেন আনোয়ারা এলাকার সাধারণ জনগণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews