মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারা আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে আমি এখন পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি’: মেঘনা আলমের সাহসী স্বীকারোক্তি নিয়ে তোলপাড় সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার বহাল, ভাঙলে বাতিল হবে হেবা: নতুন আইনের কঠোর বার্তা মেটায় বিনামূল্যে আইডি ভেরিফাই করার সুবর্ণ সুযোগ! জেনে নিন আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন:সভাপতি মনির,সম্পাদক লিটন সাফল্যের স্বীকৃতি পেল শ্যামনগরের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা রাজস্থলীতে বনবিভাগের উদ্যোগে নানা প্রজাতির ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ সাতক্ষীরায় হাঁস-মুরগির খোপে বিরাট অজগর, ভয়ে জ্ঞান হারালেন গৃহিণী রাজস্থলীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।

পাঁচ বছরের শিশুকে হত্যা করে মরদেহ খণ্ডবিখণ্ডের ঘটনায় আদালতের রায়

  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত পাঁচ বছরের শিশু আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আবীর আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে। আলোচিত এই মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন আয়াতের পরিবার এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।
বুধবার চট্টগ্রামের সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, শিশু আয়াতকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা এবং পরবর্তীতে মরদেহ খণ্ডবিখণ্ড করার ঘটনা অত্যন্ত নৃশংস ও মানবতাবিরোধী। মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ, আলামত এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য পর্যালোচনা করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, চট্টগ্রাম নগরীতে পাঁচ বছরের শিশু আয়াত নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করে। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। তদন্তে জানা যায়, অপহরণের পর শিশুটিকে হত্যা করা হয় এবং পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে মরদেহ কয়েক টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। শিশুটির পরিবারসহ বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার সংগঠন দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানায়। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং শুনানি শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। অন্যদিকে, আয়াতের পরিবারের সদস্যরা আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও তাদের প্রিয় সন্তানকে আর ফিরে পাবেন না বলে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান।
উল্লেখ্য, শিশু আয়াত হত্যা ও মরদেহ খণ্ডবিখণ্ডের ঘটনা দেশের অন্যতম আলোচিত অপরাধ হিসেবে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল। মামলার রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews