শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্যামনগরে মাদার নদীতে অবস্থিত বাঁশের স্যাকোটি ব্রীজ করার দাবীতে মানববন্ধন বিশ্বকাপ ফাইনাল আবার আয়োজন এর দাবি আর্জেন্টাইনদের বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান হলেন দৈনিক দেশ বার্তা’র ব্যুরো চীফ সাত মাসের শিশু বুকে নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন ২১ বছরের টুম্পা দাশ। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন: সহকারী সম্পাদক হলেন তৌকির উদ্দীন আনিছ বাঙ্গালহালিয়াতে বন্যা প্লাবিত এলাকার পানি নিস্কাশনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন। সরকার আসে এবং যায় কিন্তু? বাঙ্গালহালিয়া ডাকবাংলা মধ্যম পড়া বাসির জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ যেন শেষ নেই, একটু বৃষ্টি হলেই বসতঘরে হাঁটু সমান পানি। আনোয়ারার বৈরাগে পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন অবহেলা! ফিউজ বাদ দিয়ে তার পেঁচিয়ে জুয়াখেলা, একদিন ধরে তীব্র পানি সংকটে হাজারো মানুষ মোবাইল-ল্যাপটপ থেকে খাবারে বিষ? টিআইবি-এর শিউরে ওঠার মতো রিপোর্ট বিশ্বকাপে রাতজাগা দর্শকদের জন্য ব্রিটিশ সরকারের বিশেষ সুবিধা: কী থাকছে এই ঘোষণায়?

আদামুনি পাতায় স্বপ্ন বুনেন কাঞ্চন!

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

সার কীটনাশকবিহীন যে কোন ধরনের পরিচর্যা ছাড়াই বাড়ির আঙ্গিনা কিংবা পতিত জমিতে জন্মায় যে পাতা, এবার সে পাতায় স্বপ্ন বুনেন মো. কাঞ্চন! নগরীর অলিগলি ঘুরে ঘুরে আদামুনি বিক্রি করে এখন সংসার চলছে তার।

দালান কোঠার এই শহরে বর্তমান প্রজন্মের কাছে অপরিচিত হলেও একটা সময় প্রবীণদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল এ পাতা। গ্রামেগঞ্জে বাড়ির আঙ্গিনায় কিংবা পতিত জমিতে বেশী দেখা যেত আদামুনি, আর তখন নানা উপায়ে তরকারি রান্না করে এই স্বাদ নিতো তারা। তবে অবশ্য বন্দর নগরীতে আদামুনি দেখা যায়না বলেই স্বাদ নেওয়া হয়না জানিয়েছেন ক্রেতারা। আর তাইতো যেখানেই দেখা মিলছে কাঞ্চনদের মত ভাসমান ব্যবসায়ীদের সেখানেই ভীড় করছেন তারা। তারা জানান, এই পাতায় ডায়াবেটিসসহ অনেক রোগের উপকার আছে।

শুধু আদামুনি নয়, কাঞ্চনের সংগ্রহে থাকে তিতাডিমা শাক, কচুর শাক। প্রতিদিন ভোর ৪টায় বাসা থেকে বেরিয়ে প্রথমে রিয়াজুদ্দিন বাজার থেকে পাইকারী দরে ক্রয় করে পরে নগরীর হালিশহর, পাহাড়তলীসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্যানগাড়িতে করে কেজি দরে বিক্রি করেন তিনি। প্রতি কেজি আদামুনি ৮০ টাকায় বিক্রি করলেও কচুর শাক বান্ডেল হিসেবে বিক্রি করতে দেখা যায় তাকে। এছাড়াও কেজি দরে বিক্রি করেন তিতা ডিমা শাকও। কাঞ্চন জানান, সচরাচর এই শাকগুলো অন্যান্য ব্যবসায়ীরা বিক্রি করেন না ফলে ক্রেতাদের চাহিদা থাকায় আজ তিন বছর যাবত এভাবেই ঘুরে ঘুরে শাক বিক্রির এই আয়োজন তার।

দৈনিক দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার শাক বিক্রি করে গড়ে প্রতিদিন তার আয় হয় ৭০০ থেকে আটশ টাকা। সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শাক বিক্রি করে পরে বাসায় ফিরেন তিনি। কাঞ্চন পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন নগরের হালিশহরে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews