মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারা আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে আমি এখন পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি’: মেঘনা আলমের সাহসী স্বীকারোক্তি নিয়ে তোলপাড় সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার বহাল, ভাঙলে বাতিল হবে হেবা: নতুন আইনের কঠোর বার্তা মেটায় বিনামূল্যে আইডি ভেরিফাই করার সুবর্ণ সুযোগ! জেনে নিন আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন:সভাপতি মনির,সম্পাদক লিটন সাফল্যের স্বীকৃতি পেল শ্যামনগরের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা রাজস্থলীতে বনবিভাগের উদ্যোগে নানা প্রজাতির ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ সাতক্ষীরায় হাঁস-মুরগির খোপে বিরাট অজগর, ভয়ে জ্ঞান হারালেন গৃহিণী রাজস্থলীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।

আদামুনি পাতায় স্বপ্ন বুনেন কাঞ্চন!

  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

সার কীটনাশকবিহীন যে কোন ধরনের পরিচর্যা ছাড়াই বাড়ির আঙ্গিনা কিংবা পতিত জমিতে জন্মায় যে পাতা, এবার সে পাতায় স্বপ্ন বুনেন মো. কাঞ্চন! নগরীর অলিগলি ঘুরে ঘুরে আদামুনি বিক্রি করে এখন সংসার চলছে তার।

দালান কোঠার এই শহরে বর্তমান প্রজন্মের কাছে অপরিচিত হলেও একটা সময় প্রবীণদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল এ পাতা। গ্রামেগঞ্জে বাড়ির আঙ্গিনায় কিংবা পতিত জমিতে বেশী দেখা যেত আদামুনি, আর তখন নানা উপায়ে তরকারি রান্না করে এই স্বাদ নিতো তারা। তবে অবশ্য বন্দর নগরীতে আদামুনি দেখা যায়না বলেই স্বাদ নেওয়া হয়না জানিয়েছেন ক্রেতারা। আর তাইতো যেখানেই দেখা মিলছে কাঞ্চনদের মত ভাসমান ব্যবসায়ীদের সেখানেই ভীড় করছেন তারা। তারা জানান, এই পাতায় ডায়াবেটিসসহ অনেক রোগের উপকার আছে।

শুধু আদামুনি নয়, কাঞ্চনের সংগ্রহে থাকে তিতাডিমা শাক, কচুর শাক। প্রতিদিন ভোর ৪টায় বাসা থেকে বেরিয়ে প্রথমে রিয়াজুদ্দিন বাজার থেকে পাইকারী দরে ক্রয় করে পরে নগরীর হালিশহর, পাহাড়তলীসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্যানগাড়িতে করে কেজি দরে বিক্রি করেন তিনি। প্রতি কেজি আদামুনি ৮০ টাকায় বিক্রি করলেও কচুর শাক বান্ডেল হিসেবে বিক্রি করতে দেখা যায় তাকে। এছাড়াও কেজি দরে বিক্রি করেন তিতা ডিমা শাকও। কাঞ্চন জানান, সচরাচর এই শাকগুলো অন্যান্য ব্যবসায়ীরা বিক্রি করেন না ফলে ক্রেতাদের চাহিদা থাকায় আজ তিন বছর যাবত এভাবেই ঘুরে ঘুরে শাক বিক্রির এই আয়োজন তার।

দৈনিক দুই থেকে আড়াই হাজার টাকার শাক বিক্রি করে গড়ে প্রতিদিন তার আয় হয় ৭০০ থেকে আটশ টাকা। সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শাক বিক্রি করে পরে বাসায় ফিরেন তিনি। কাঞ্চন পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন নগরের হালিশহরে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews