

আন্তর্জাতিক ডেস্ক! জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ফিলিস্তিন সংকটকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের মানবিকতা ও বিবেকের চরম পরীক্ষা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনো অবিলম্বে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানান। ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত জাকার্তার সমর্থন অব্যাহত রাখার ঘোষণা।
নিউ ইয়র্ক: ফিলিস্তিনে চলমান মানবিক বিপর্যয় ও দখলদারিত্বকে সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মেধা, নীতি ও বিবেকের জন্য এক বড় পরীক্ষা হিসেবে অভিহিত করেছে ইন্দোনেশিয়া। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দফতরে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দানকালে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনো এ কথা বলেন।
জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বিশ্বমঞ্চে ভাষণে ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিওনো বলেন, “ফিলিস্তিনের সংকট কেবল একটি ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক সমস্যা নয়; এটি আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার কার্যকরিতার ওপর এক বিরাট প্রশ্নবোধক চিহ্ন দাঁড় করিয়েছে। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর চলা অবিচার রদ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিবেকের পরীক্ষা।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের দাবি ও স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলন থেকে একচুলও সরে আসবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত ১৯৬৭ সালের পূর্বের সীমানা মেনে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, ততক্ষণ জাকার্তার এই অবিচল কূটনৈতিক সমর্থন জারি থাকবে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দ্বি-নীতি বা ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ পরিহার করার তাগিদ দিয়ে সুগিওনো বলেন, গাজায় যে অভূতপূর্ব মানবিক বিপর্যয় ঘটছে, তা ঠেকাতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে কার্যকর ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি অবিলম্বে রক্তপাত বন্ধ, গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবেশে বাধা অপসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন কঠোরভাবে পালনের জন্য বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।