বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিএমএসএস’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান হলেন দৈনিক দেশ বার্তা’র ব্যুরো চীফ সাত মাসের শিশু বুকে নিয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন ২১ বছরের টুম্পা দাশ। বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন: সহকারী সম্পাদক হলেন তৌকির উদ্দীন আনিছ বাঙ্গালহালিয়াতে বন্যা প্লাবিত এলাকার পানি নিস্কাশনের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সেনাবাহিনী কাপ্তাই জোন। সরকার আসে এবং যায় কিন্তু? বাঙ্গালহালিয়া ডাকবাংলা মধ্যম পড়া বাসির জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ যেন শেষ নেই, একটু বৃষ্টি হলেই বসতঘরে হাঁটু সমান পানি। আনোয়ারার বৈরাগে পল্লী বিদ্যুতের নজিরবিহীন অবহেলা! ফিউজ বাদ দিয়ে তার পেঁচিয়ে জুয়াখেলা, একদিন ধরে তীব্র পানি সংকটে হাজারো মানুষ মোবাইল-ল্যাপটপ থেকে খাবারে বিষ? টিআইবি-এর শিউরে ওঠার মতো রিপোর্ট বিশ্বকাপে রাতজাগা দর্শকদের জন্য ব্রিটিশ সরকারের বিশেষ সুবিধা: কী থাকছে এই ঘোষণায়? ইফা’র নব নিযুক্ত ডিজি কে অভিনন্দন জানিয়েছে আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ মুসল্লী পরিষদ মেসির জাদুতে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা, লড়াকু কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হার

তিস্তা মহাপরিকল্পনা সারা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ: পানিসম্পদমন্ত্রী

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

তিস্তা নদী অববাহিকায় পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ ও ড্রেজিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা গেলে স্থানীয় জনগণকে নদীভাঙন ও বন্যার ক্ষতি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় সমন্বিতভাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন শেষে অবসর রেস্ট হাউসে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন পানিসম্পদমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ ও নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে তিস্তা অঞ্চলের জনগণকে নদীভাঙন ও বন্যার ক্ষতি থেকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, উজানের গজলডোবা থেকে পানির প্রবাহের কারণে তিস্তার দুই পাড়ে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিচ্ছে এবং অনেক এলাকায় বসবাস ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিত নদীশাসন ও ড্রেজিং অত্যন্ত জরুরি।

 

শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা অববাহিকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় “তিস্তা মহাপরিকল্পনা” এখন সময়ের দাবি এবং এটি শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে টেকনিক্যাল টিমসহ তারা মাঠপর্যায়ে পরিদর্শন করছেন এবং প্রকল্পটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে, তবে এর সুফল হবে দীর্ঘমেয়াদি ও অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক। তার মতে, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পাঁচ জেলার কৃষি ও অর্থনীতি নতুনভাবে গতি পাবে।

তিনি বলেন, “তিস্তা শুধু একটি অঞ্চলের সমস্যা নয়, এটি পুরো দেশের অর্থনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত। পরিকল্পিতভাবে কাজ শেষ করতে পারলে কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews