মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তারা আমাকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে জোর করে আমি এখন পর্যন্ত শারীরিক সম্পর্কে জড়াইনি’: মেঘনা আলমের সাহসী স্বীকারোক্তি নিয়ে তোলপাড় সন্তানকে দানের পরও সম্পত্তিতে বাবা-মার অধিকার বহাল, ভাঙলে বাতিল হবে হেবা: নতুন আইনের কঠোর বার্তা মেটায় বিনামূল্যে আইডি ভেরিফাই করার সুবর্ণ সুযোগ! জেনে নিন আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য বিষয়ক দুই সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন:সভাপতি মনির,সম্পাদক লিটন সাফল্যের স্বীকৃতি পেল শ্যামনগরের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা রাজস্থলীতে বনবিভাগের উদ্যোগে নানা প্রজাতির ১৮ হাজার ৬০০ গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ সাতক্ষীরায় হাঁস-মুরগির খোপে বিরাট অজগর, ভয়ে জ্ঞান হারালেন গৃহিণী রাজস্থলীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব নাকচ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (সংগীত) পদ সৃষ্টির প্রস্তাবে চূড়ান্তভাবে অসম্মতি জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলাদা সংগীত শিক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনা আপাতত শেষ হয়ে গেল। জাতীয় সংসদকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামায়াতের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে সংগীত শিক্ষা চালুর উদ্যোগকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক চলছিল। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষা অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছিল হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

সংগঠনটির দাবি ছিল, ধর্মপ্রাণ মুসলিম অভিভাবকদের মতামত উপেক্ষা করে সংগীত শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হলে তা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় মূল্যবোধ ও স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। তারা সংগীত শিক্ষকের পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়ে আসছিল।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৮ আগস্ট জারি হওয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০২৫-এ সাধারণ সহকারী শিক্ষকের পাশাপাশি সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ রাখা হয়েছিল।

তবে বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের আপত্তি এবং আন্দোলনের মুখে একই বছরের নভেম্বরে বিধিমালাটি সংশোধন করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। সংশোধিত বিধিমালায় সংগীত ও শারীরিক শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগের বিধান বাদ দিয়ে শুধু প্রধান শিক্ষক ও সাধারণ সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews